Loading... bongo tv Live

দুপুর

করোনা থেকে পালিয়েও রক্ষা পেলেন না তিনি

কে-ই বা মারা যেতে চায়?

মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্যই সবার এত আয়োজন। এই একই কারণে মরণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যেন বেঘোরে প্রাণটা দেওয়া না লাগে, এ জন্য সবাই কাজকর্ম বাদ দিয়ে ঘরে বসে আছেন। বাইরে বেরোলেই যে সংক্রমণের আশঙ্কা!

বাদ নেই খেলোয়াড়েরা। যেখানে জীবন নিয়েই টানাটানি, সেখানে খেলাধূলার মূল্যই বা কতটুকু? তাই সব খেলোয়াড় ট্রফি-গোল বা রান-উইকেটের চিন্তা বাদ দিয়ে ঘরে ঢুকে বসে আছেন। তবুও সবাই স্বপ্ন দেখেন একটা নতুন আগামীর। একটা সুস্থ ভবিষ্যতের। যে আশায় খেলোয়াড়েরা নিজেকে ফিট রাখছেন। যাতে ফুটবল যখনই শুরু হোক না কেন, শরীর-স্বাস্থ্য যেন একদম খেলাধূলা করার উপযোগী থাকে।

রাশিয়ার ক্লাব লোকোমোটিভ মস্কোর যুবদলের খেলোয়াড় ইনোকেন্তি সামোখভালোভও সেটাই ভেবেছিলেন। করোনা-কারণে বাকি সবার মতো বন্দী তিনিও। কিন্তু যে মৃত্যুর ভয় করে চার দেয়ালের মাঝে নিজেকে আটকে রেখেছিলেন, এত শত আয়োজনের পরেও সেই মৃত্যুকে ফাঁকি দিতে পারলেন না এই তরুণ ফুটবলার। একা একা অনুশীলন করতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।

আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে লোকোমোটিভ জানিয়েছে, ‘সামোখভালোভ গত সোমবার একা একা অনুশীলন করছিলেন, নিজের বাসায়। সেটা করতে গিয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবরটা জানতে পেরে লোকোমোটিভ মস্কো প্রচণ্ড ধাক্কা পেয়েছে। আমাদের লোকোমোটিভ পরিবারের জন্য খবরটা অনেক কষ্টের। সামোখভালোভের পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধবকে সমবেদনা জানাই।’

মৃত্যুকালে স্ত্রী ও এক সন্তান রেখে গেছেন সামোখভালোভ।

জানা গেছে, সামোখভালোভের শারীরিক কোন জটিলতা ছিল না। ডাক্তাররা তাঁকে অনায়াসে অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। লোকোমোটিভের যুবদল কাজাঙ্কার কোচ আলেক্সান্দার গ্রিশিন তাই ঘটনাটা মানতেই পারছেন না, ‘অনেক খারাপ লাগছে। ডাক্তাররা আমাদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃওদ্রোগ জানিয়েছে। কিন্তু ডাক্তাররাই তাঁকে অনুশীলন চালিয়ে যেতে বলেছিল। এটাই প্রমাণ করে তাঁর শারীরিক কোনো জটিলতা ছিল না।’

 

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ